বল্টুর মৌখিক

বল্টুর মৌখিক
পরীক্ষা চলছে।
স্যার বলছে : এমন
একটা
বিপদের নাম
বল যা থেকে উদ্ধার
হলেও বিপদ
না হলেও বিপদ

!
!
!
!
!
বল্টু : লুঙ্গিতে আগুন
লাগলে স্যার
,

খুললেও বিপদ
না খুললেও বিপদ। 

লুঙ্গিতে আগুন

বল্টুর মৌখিক
পরীক্ষা চলছে।
স্যার বলছে : এমন
একটা
বিপদের নাম
বল যা থেকে উদ্ধার
হলেও বিপদ
না হলেও বিপদ

!
!
!
!
!
বল্টু : লুঙ্গিতে আগুন
লাগলে স্যার
,

খুললেও বিপদ
না খুললেও বিপদ। 

জনক

(টিচার তার ছাত্রকে প্রশ্ন করলো)
❀❀❀❀❀❀❀❀❀❀❀❀❀

টিচারঃ এই  বলতো জনক
 কয় প্রকার?
(ছাত্র এত সোজা প্রশ্ন শোনে
দাঁত খিলিয়ে ফটাফট উত্তর দিল)
ছাত্রঃ স্যার জনক হলো দুই প্রকারঃ
একটা হলো জাতির জনক,
আর
একটা হইলো আশংকা জনক।

( উত্তর শুনে টিচার রেগে গিয়)

টিচারঃ তোর উত্তর হয় নি।
আর একটা জনক আছে।
আমি তোকে এখন বেত
 দিয়ে পিটাবো
 আর
সেটা হল তোর জন্য
বিপদজনক।

ছাত্রঃ স্যা আপনারটা ও হয় নি।
আর
এক প্রকার জনক আছে।
আমি এখন  দৌড় দিয় পলাবো।
আর সেটা হবে
 আমার জন্য
সুবিধা জনক।

পাশে থেকে আর
একটা ছাত্র উঠে বলল।

স্যারঃ আর এক প্রকার জনক আছে।
আপনি যদি দৌড়ে ওকে
না ধরে আনতে পারেন।
তবে
সেটা হবে আপনার জন্য
লজ্জাজনক।

আর
আপনারা এই jokes পড়ে
 যদি share
না করেন
তবে সেটা হব অপমান জনক।

গর্ভবতী

বাবা ছেলেকে: বেটা, তোর জন্য একটা খুব ভালো মেয়ে দেখেছি ...
সে রূপবতী ...
সে লক্ষীমতি ...
সে গুণবতী ...
সে স্বাস্থবতী ...
সে ধনবতী ...
সে ...
ছেলে: কিন্তু বাবা. আমি তো একজনকে ভালোবাসি ...
বাবা: চোপ বেয়াদপ, কি গুণ আছে তার ...



ছেলে: সে গর্ভবতী 

এক কথায় প্রকাশ:

এক কথায় প্রকাশ:
-----------------------------------------------------

ফ্রিজে রাখা সিম= হিমসিম

হাতে তৈরি দরজা= বাহুডোর

সোলার কুকারে যে রান্না করে= রবি ঠাকুর

কোষ বা সেলদের বাড়ি, প্রাণীদেহ = কোষাগার

মন্দ আশা= কুয়াশা

অঙ্ক করার কল বা মেশিন = কলঙ্ক

কল দিয়ে জল পড়ার শব্দ= কলরব

হেডলাইট বিগড়োন car = অন্ধ-কার

যে কবি লেখার নিয়ম জানেন = নোজ রুল (Knows Rule)

যে শহর মন হৃদয় কেড়ে নেয় = দিল-লি

একসাথে মারা কিল = কো-কিল

রাজা যাহা বলেন= কিং-বদন্তী

চায়ের সাথে মাছ ভাজা= চাওমীন (চা ও মীন)

যে বন্দুক ধীরে চলে = স্লোগান

কুলের আচার = কূলাচার

কুচি কুচি কুল = কুলকুচি

বেড়াল দের চাল = মিনিকিট

বেড়ালের বিবমিষা= ক্যাট ওয়াক

প্রেমের সৃষ্টিকর্তা = লাভজনক

জনগণের ইচ্ছা = লোকোমোটিভ

ক্ষোভ, রাগ রোষ নেই যার = রোষনাই

সিস্টার-সুলভ আচার = শিষ্টাচার..!

গাই হামারি মাতা হ্যায় আংরেজি নেহি আতা হ্যায়।

শিবরাম চক্রবর্তীর ভাই শিবসত্য চক্রবর্তী ছিলেন ঘাটশিলায় একটি হাই স্কুলের শিক্ষক।
শিবরাম একদিন ঘাটশিলা গিয়ে দেখলেন ভাই শিবসত্য খুব বিষণ্ণ মুখে বসে আছেন। শিবরম বললেন

-কি রে কি হয়েছে?

-আর বোলো না। ইংরেজি পরীক্ষার খাতাগুলো দেখো একবার।

শিবরাম দেখলেন উত্তরপত্রে প্রতিটা প্রশ্নের উত্তরে গরুর ছবি আঁকা রয়েছে এবং উত্তর হিসেবে লেখা হয়েছে 'গাই হামারি মাতা হ্যায় আংরেজি নেহি আতা হ্যায়।

২ নং প্রশ্নের উত্তরেও গরুর ছবি। সাথে  লেখা হয়েছে 'গাই হামারি মাই রে আংরেজি নেহি আই রে'।

৩ নং প্রশ্নের উত্তরেও যথারীতি গরুর ছবি, সাথে লেখা 'গাই হামারি মাতা জি, আংরেজি নেহি আতা জি'।

এইভাবে সব প্রশ্নেরই উত্তর দেওয়া হয়েছে।

শিবসত্য বললেন

-এবার বলো আমি কি করব?

-কি আবার করবি? ঘ্যাচাং ঘ্যাচ কেটে দিবি আর নাম্বার দিবি গোল্লা।

-বলো কি? গোল্লা দেব? গরুকে কাটব? তা হলে ওরা আমার মাথা কেটে নেবে।

শিবরাম অনেকক্ষণ ভাবনাচিন্তা করার পর বললেন,

-তা হলে এক কাজ কর। কাটতে হবে না, নাম্বারও দিতে হবে না। শুধু আনসার পেপারে লিখে দে, 'বলদ মেরা বাপ হ্যায়, নাম্বার দেনা পাপ হ্যায়'।

বদলা

.
বদলা

*পল্টু* - ধর্মাবতার, এমন বেইজ্জত আমি জীবনে কখনো হইনি.

*বিচারক* - কেন কি এমন হলো.

*পল্টু* - পাশের বাড়ির মেয়েটা স্নান করার সময় আমাকে দেখে ফেলেছে.

*বিচারক* - তা তুমি এখন কি চাও.

*পল্টু* -  বদলা.

স্বামীর রচনা

📌             " স্বামীর রচনা "
∆ ভুমিকাঃ
স্বামী একটি গৃহপালিত ও স্ত্রীভক্ত প্রাণী।
পুরুষমানুষ বিয়ের মাধ্যমে স্বামীতে রূপান্তরিত হয়ে থাকে। এদের সঠিকভাবে পোষমানালে ঘর ও বাইরের সমস্তরকম কাজে ব্যবহার করা যায়।
∆ খাদ্যঃ
এরা সর্বভুক প্রাণী হলেও চুমু ও আদর খেতে খুব পছন্দ করে। অনেক ক্ষেত্রে এরা স্ত্রীর সযত্নে তৈরী করা ‘ঢপ’ ও ‘বার’ সানন্দে ও তৃপ্তি সহকারে খেয়ে হজম করে।
∆ আকৃতিঃ
এদের সাধারণত একটি ভুঁড়ি, শক্ত ঘাড়, দুর্বল মেরুদণ্ড এবং টুপি পরবার উপযোগী মাপসই একটি মাথা থাকে।
∆ প্রকৃতিঃ
এরা সাধারণতঃ নিরীহ, শান্তিপ্রিয় ও ঝগড়াঝাঁটীতে অপটু হয়ে থাকে। বিয়ের আগে এদের স্বভাবে সিংহের বল থাকলেও বিয়ের পর সেই সিংহ দুর্গারূপিণী স্ত্রীর বাহনে পরিনত হয়। তাই এরা স্ত্রী-প্রভুর অবাধ্য হয়ে চরম অশান্তি ভোগের আশঙ্কায় চীরকাল মিনমিনে স্বভাবের মিনসে হয়ে থাকে।  এরা পুরনো কথার দিন-ক্ষণ, নাড়ি-নক্ষত্র সেভাবে মনে রাখতে পারেনা বলে ঝগড়া বা বিতর্কে প্রায়শই পরাজিত হয়। সাধারণত নারিদের প্রতি এদের একটু দুর্বলতা দেখতে পাওয়া যায়। কোন মহিলার অনুরোধ বা আব্দার এরা সহজে ফেলতে পারে না।
∆ উপকারিতাঃ
স্বামী উপকারী ও ভীষণভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় একটি প্রাণী। এরা ছুটির দিনে সংসারের নানাবিধ কাজ, যেমন প্যান পরিস্কার, ফ্যান পরিষ্কার প্রভৃতি করে থাকে। এছাড়া এরা স্ত্রীর চোখে আইলাইনার, আইশ্যাডো প্রভৃতি লাগিয়ে দিয়ে, শাড়ির কুঁচি ধরে স্ত্রীকে রূপচর্চাতে সাহায্য করে। এরা ভ্রমণের সময়ে কুলীরূপ ধারণ
করে ভারী ব্যাগ বহন করে, কখন বা এরা ড্রাইভার রূপ ধারণ করে স্ত্রীকে লং ড্রাইভে নিয়ে যায়। এদেরকে বিবাহ করে অনেক অতি সাধারণ নারী বিদেশভ্রমণ ও বসবাসের সুযোগ পায়। কর্মক্ষেত্রে অবসরের পর এদেরকে নাতি-
নাতনি প্রতিপালন, ঘর পাহারা, বারবার দোকানে গিয়ে প্রয়োজনীয় টুকিটাকি জিনিস কিনে আনা – এই ধরনের গৃহস্থালির কাজে ব্যভহার করা হয়ে থাকে।
∆ অপকারিতাঃ
অনেক প্রকার স্বামী অফিসের কাজে অধিকাংশ দিন রাতকরে বাড়ী ফেরে। অনেকে আবার বাড়ীতে অফিসের কাজও নিয়ে আসে। তাই এরা স্ত্রীকে তাদের চাহিদামতো সময় দিতে পারে না। অধিকাংশ স্বামীই স্ত্রীকে শপিং- এ নিয়ে গিয়ে ধৈর্য হারিয়ে ফেলে। তাদের শাড়ী, গয়না কেনার যথাযথ সঙ্গী হতে পারে না।
∆ উপসংহারঃ
গৃহপালিত প্রাণীদের মধ্যে সংসারে স্বামীর চেয়ে শ্রেষ্ঠ প্রাণী বিরল । যে আবিষ্কারক ‘স্ত্রী’ নামক ‘দামি’ পোষমানানোর ‘যন্তর’- টি আবিষ্কার করেছিলেন, তাঁর কাছে পৃথিবীবাসি চির-কৃতজ্ঞ থাকবে।

টুকলি

দশম শ্রেনীর জীববিদ্যা ক্লাস চলছে । শিক্ষক সব ছাত্রদের পুরুষ লিঙ্গের ছবি আঁকতে দিয়েছে । সবাই মনোযোগ দিয়ে ছবি আঁকছে । হঠাৎ বল্টু চিৎকার করে উঠল , "স্যার , আপনার প্যান্টের চেনটা আটকে নিন.....মেয়েরা টুকলি করছে....."

*খুব ধীরে ধীরে পড়*

*খুব ধীরে ধীরে পড়*
*নিশ্চয় হাসি পাবে*

😀😀😀😀😀
*1*

*2*

*3*

*4*

*5 টা কথা আপনার*   *ব্যপারে বলছি*
*You you you you you you you you you you you you you you you you you*

*1) আপনি  এত অলস যে সব you গুলি পড়েননি*

*2) আপনি  এটাও দেখেননি  যে ওখানের you গুলোর মধ্যে  একটা yoo লেখা আছে*

*3) আমি বললাম তাই আপনি yoo দেখতে গেলেন*

*4)এখন আপনি হাসছেন কারণ আপনি yoo দেখতে পেলেননা এবং আপনি কেমন পাগলামি করলেন*
😆😆😆😆😆
*5)আমি আপনার ব্যপারে আরও 13 টা কথা জানি*
👍
*1) আপনি এই সময় আপনার মোবাইল হাতে ধরে আছেন*

*2)আর আপনি whatsapp ব্যাবহার করছেন*

*3)আপনি একটু আগেই আমার massage  টা open  করেছেন*

*4)এখন আপনি পড়া শুরু করে দিয়েছেন*

*5)আপনি মনুষ্য*

*7)আপনি আপনার 2 টা ঠোঁট না ঠেকিয়ে P বলতে পারবেননা*

*8)আপনি নিশ্চই ওটা করার চেষ্টা করলেন*

*9)এখন আপনি নিজের উপরেই হাসছেন*

*10)এই সময় আপনার মুখে খুবই হাসি ফুটছে*

*11)আপনি 6 no. Point ছেড়েই দিলেন*

*12)এখন আপনি 6 no. Point টা চেক করলেন আর খুঁজেই পেলেননা*

*13)এখন আপনি খুবই হাসছেন কারণ আমি  আপনাকে   boka বানালাম*
😝😝😝😝😜

পচার বিয়ে

পচার 👲🏼 বিয়ে ঠিক হল ...
মেয়েটিকে 👩🏻ভীষণ সুন্দরী দেখতে ।

দিন ঠিক করে পচার👲🏼 আশীর্বাদী ও হয়ে
গেল !!!

পচা👲🏼 মেয়েটির 👩🏻ফোন নম্বর 📱নিয়ে তার সাথে
WHATS APP এ
আলাপ শুরু করল ...

ধীরে ধীরে তাদের সম্পর্ক গভীর হল ।
💝💞💞💝
 একে অপরের সাথে WHATS APP এ
প্রায় সারাদিন নানা রকমের গল্প করতে থাকল...

আস্তে আস্তে এসে গেল সেই দিন ...
🎉🎉🎉🎉🎉
পচার বিয়ে হল ...

 ফুলশয্যার রাতে পচা👲🏼
দরজা বন্ধ 🚪করে বউ👰🏽 এর
কাছে এসে তার ঘোমটা টা আস্তে করে তুলে
বউকে👩🏻 দেখে বলল -
তুমি খূব সুন্দরী, আমি ভাবতেই পারিনি আমার
ভাগ্যে এত সুন্দরী বউ জূটবে ,
বল তুমি হানিমুনে কোথায় যেতে চাও ???

বউ যা বলল শুনে পচা বেহুঁশ !!!
😇😇😇😇😇
বউ 👩🏻বলল -
"তলো পলের তপ্তায় ' দম্মূ তাতমিল ' ঘুলে
আতি !!!!!"
( চলো পরের সপ্তায় ' জম্মূ কাশ্মীর ' ঘুরে
আসি )
*
🚩মরাল -" ফ্রি নেট ব্যবহার করে WHATS APP করছ
, ভালো কথা ।
কম সে কম একবার তো পয়সা খরচা করে ফোণ
করে নিতে ...
এখন যাও , ' দম্মূ তাতমিল ' যাও !!!!" FIX UNNECESSARY PROGRAMMES DURING START UP WINDOWS , কম্পিউটার বা ল্যাপটপ শুরুতে দরকারি নয় এমন প্রোগ্র্যাম কিভাবে ডিসএবল করবেন !

😬😆😆😆😆😁

Pappu

পাপ্পু তার বৌকে হাসপাতালে
ভর্ত্তি করলো.......।।

পাপ্পুর বন্ধু এসে বললঃ কিরে...??
বৌদির কি হয়েছে....??

পাপ্পুঃ কি আর বলি রে ভাই,
তোর বৌদি আজ বাথরুমে স্নান
করছিল...

হঠাৎ মাথা ঘুরে বাথরুমে পড়ে যায়...

মাথা ফেটে শুধু রক্ত আর রক্ত.......

বন্ধুঃ ইস্......তো এখন কেমন আছে...??

পাপ্পুঃ এখন ভালো আছে,
ডাক্তার বলল আর একটু দেরি হয়ে
গেলে কোমায় চলে যেত.......

বন্ধুঃ তাহলে বৌদি তোকে
ডাকলো কি করে.......??

পাপ্পুঃ ও কি করে ডাকবে...??
ও তো অজ্ঞান হয়ে গেছিল....ভাগ্য
ভালো যে, সামনের ফ্লাটের
ফটিক বাবু রোজ লুকিয়ে ওর
স্নান করা দেখতো.....উনিই তো
আমাকে এসে বললেন.....

না হলে কি হত কে জানে.....??

ভগবান ফটিক বাবুর মঙ্গল করুন.....


তুই ই বল......আজকাল এমন
ভালো প্রতিবেশি কোথায় পাওয়া যায়....??

এক কাপ চা

😢😢😢😢😢😢😢😢😢😢😢😢😢😢😢😢😢😢😢😢          
⚡ "'*স্বামী দের বিকাশ ক্রম"*⚡

১৯৬০  সালে.... 💥

স্বামীঃ- এক কাপ চা !☕

স্ত্রীঃ-(আগে থেকেই নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতো).।😊

১৯৭০  তে....💥

স্বামীঃ- এক কাপ  চা !☕

স্ত্রীঃ-এক্ষুনি নিয়ে আসছি..।☺

১৯৮০   তে....💥

স্বামীঃ- এক কাপ চা !☕

স্ত্রীঃ- আনছি দাঁড়াও।🙁


১৯৯০  তে...💥

.স্বামীঃ- এক কাপ চা  !☕

স্ত্রীঃ-নিয়ে আসছি, একটু সবুর করো..।😉


২০০০  তে....💥

স্বামীঃ- এক কাপ চা..!☕

স্ত্রীঃ-নিয়ে আসবো,
 সিরিয়ালে ব্রেক টা আসতে দাও..।😒

২০১০   তে....💥


স্বামীঃ- এক কাপ চা !☕

স্ত্রীঃ- চেচিও না, 😚
আমার খাওয়া হয়ে গেছে, তোমাকে করে দিচ্ছি,   বেসি তারা থাকলে নিজেই করে খেয়ে নাও..।😒

Now a days
২০১৬...💥💥

স্বামীঃ- এক কাপ চা !☕

স্ত্রীঃ- কি বললে ?? আর এক বার বলো,  !!!!😠😡

স্বামীঃ- এক কাপ চা  করতে যাচ্ছি,
ভাবলাম, তোমাকেও জিজ্ঞাস করে নিই....
    খাবে না কি  ??🙄🤔

😄😤😤😤😤😤

💥💥💥💥একেই বলে ধামাকা...💥💥
        জিবনের বিকাশ  ☹☹🙃🙃

কাঠুরে

নদীর পাড়ে গাছের নিচে বসে কাঠুরে কাঁদছে।

একে আপনারা চেনেন।

বহুদিন আগে এর কুড়ুল পড়ে গেছিল নদীতে। তার কান্নায়

জলদেবী উঠেছিলেন।

একটা সোনার কুড়ুল দেখিয়ে বলেছিলেন--এটা কি তোমার?

কাঠুরে বলেছিল--না।

রুপোর কুড়ুল দেখেও সে না বলেছিল।

জলদেবী তার সততায় মুগ্ধ হয়ে তাকে লোহার কুড়ুলের সাথে

সোনা ও রুপোর কুড়ুল দুটো উপহার দিয়েছিলেন।

আজ সেই কাঠুরে আবার কাঁদছে।

কাঠুরের কান্নার কারণ তার বউ।

সে কিছুতেই বিশ্বাস করে না যে ,জলদেবী তাকে ওইসব দিয়েছে।

সরজমিনে তদন্ত করতে এসে বউ গাছে উঠেছিল।কুড়ুলের

চোট মেরেছিল গাছে।

কুড়ুলটা ছিটকে পড়ল মাটিতে আর বউ পড়ল নদীর জলে।

নদীর জলে তলিয়ে গেছে বউ। কাঠুরে কাঁদছে অঝোর নয়নে।

জলদেবী উঠে এলেন । শুনলেন সব । বললেন--এখনই

তোমার বউকে এনে দিচ্ছি।

নদীর জল থেকে এক সুন্দরী তরুণীকে তুলে ধরলেন

জলদেবী । বললেন--এটাই কি তোমার বউ ?

নিয়মিত ভিডিও দেখার সুবাদে কাঠুরে তাকে চেনে। মেয়েটি

সিনেমার বিখ্যাত এক নায়িকা।

বলল--হ্যাঁ , দেবী ,এই-ই আমার বউ ।

জলদেবী বললেন--রাতারাতি এমন পরিবর্তন কেন তোমার,

তোমাকে তো আমি সত্যবাদী বলেই জানি।

কাঠুরে ম্লান হেসে বলল--অপরাধ নেবেন না দেবী , আমি

যদি বলি ওটা আমার বউ নয় তবে আপনি আবার ডুব

দেবেন ,তুলে আনবেন অন্য কোন নায়িকাকে।

আমি আবার বলবো--এটাও আমার বউ নয়।

তখন আপনি আমার আসল বউকে তুলবেন । শেষে সব কটাকেই আমাকে উপহার দেবেন।

ভেবে দেখুন একবার , তিনটে কুড়ুল একসাথে ঘরে রাখা যায়

কিন্তু তিনটে বউ--বাপ-রে বাপ!
😂😂😂😂😂

মুরগির বাচ্চা

এক মুরগির বাচ্চা
মা কে
জিজ্ঞাসা করলো মা-
মানুষের জন্ম হলে
তাদের নামকরণ হয়,
কিন্তু আমাদের হয়না.
- কেন?
"
"
"
"
"
"
"
"
"
"
"
"
"
"
"
মুরগির মা বললো -
বেটা আমাদের সমাজে
নামকরণ হয় মরার
পরে।
যেমন:-
★ চিকেন তন্দুরি
★ চিকেন বিরিয়ানি
★ চিকেন পাকোড়া
★ চিকেন চিলি
★ চিকেন টিক্কা
★ চিকেন রোল
★ চিকেন কড়াই
★ চিকেন ফ্রাইড
★ চিকেন চাপ
★ চিকেন স্যান্ডউইচ
★ চিকেন স্যুপ
★ চিকেন বার্গার
....
ইত্যাদি [ মুরগির
বাচ্চা বেহুশ]

গব্বর সিং

*ইতিহাস পরীক্ষায় প্রশ্ন এসেছিল, শ্রদ্ধেয় শ্রী গব্বর সিং এর চরিত্র চিত্রাঙ্কন করো ।
...এক ছাত্র প্রশ্নের উত্তরটা এভাবেই লিখেছিল ।

1. সরল জীবন......
মেট্রো সিটি শহরের ভীড় থেকে বহু দূরে এক পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করতেন এই মহান মানুষটি। শুধু মাত্র এক সেট জামা কাপড় পরে বছরের পর বছর কাটিয়ে দিতেন। দাড়ি গোঁফ কামানোর প্রয়োজন অনুভব করতেন না তিনি। দাঁত মেজেও ফালতু পয়সা নষ্ট করতেন না।

2. সখ সাধ.....
খুবই সামান্য । একমাত্র খৈনী খেতে তিনি খুব পছন্দ করতেন । মাঝে মধ্যে কেউ একটু মদ্ অফার করলে না বলতে পারতেন না। আর শুধু অস্ত্র কিনতে গিয়ে বাধ্য হয়ে নোংরা নাচ দেখতেন।

3. অনুশাসনময় জীবন......
কালিয়া আর তার দলবল ওনার শস্য আদায়ের প্রজেক্ট ইন-কমপ্লিট রাখার অপরাধে গুলি করে হত্যা করেছিলেন তাদের। কারণ অনুশাসন বজায় রাখা প্রতিটি মানুষের অবশ্য কর্তব্য।

4. দয়ালু মন......
ঠাকুর সাহেবকে তিনি নিজের কব্জায় নেওয়ার পরেও শুধুমাত্র হাত কেটে ছেড়ে দিয়েছিলেন । তিনি চাইলে তার গলাও কেটে ফেলতে পারতেন ।

5. নৃত্য সঙ্গীত প্রেমী মন.....
ওনার কার্যালয়ে গান বাজনার আসর চলতেই থাকতো ।
উদাহরণ- 1-মেহেবুবা মেহেবুবা। 2- যব তক হে জান, জানে জাঁহান।
বাসন্তী কে একবার দেখেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে এই মেয়ে নৃত্যাঙ্গনা ।

6. রসবোধ....
কালিয়া আর তার দলবলকে তিনি হাসিয়ে হাসিয়ে মেরেছিলেন। সবসময় হাসতে হাসতে পরপারে যেতে দিতেন শত্রুদের। এছাড়া প্রায়ই তিনি নিজেই হেসে মাটিতে লুটিয়ে পড়তেন । তিনি হলেন এই যুগের লাফিং বুদ্ধ ।

7. নারীর সম্মান....
নারীদের বেশ সম্মান করতেন তিনি। বাসন্তী কে অপহরণ করে তিনি শুধুমাত্র ওনাকে নৃত্য পরিবেশন করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। সেটাও দিনের আলোয় । আজকাল আধুনিক ভিলেনরা প্রথমেই যে বিশেষ কাজটা করতে চান, তিনি সেটা করেননি ।

8. ভিক্ষুক জীবন....
ওনার অনুচররা খাবারের জন্য গ্রামে গিয়ে শুকনো খাবার চাইতেন । কখনও মিষ্টি, পিৎজা, বারগার, মটন এসব ডিমান্ড করতেন না।

9. ভোলা মন....
খুব সম্ভবত বিয়ে না করার জন্য তারিখ সময় এসব মনে রাখা প্রয়োজন মনে করতেন না । নিজের কাজ কর্তব্য নিষ্ঠা সহকারে পালন করতেন ।

10. সমাজ সেবা...
বাচ্চা ছেলেদের ঘুম পাড়ানোর কাজে ওনার নাম ডাক যথেষ্ট ছিলো ।
😂😂

অনলাইনে

আজকাল সব কিছুই অনলাইনে বা ফোন করলেই পাওয়া যায়।
সেদিন মিষ্টির দোকানে ফোন করলাম।
....... ক্রিং ক্রিং
- "নমস্কার, অমুক সুইটস এ স্বাগত।  আপনার সন্দেশ দরকার হলে ১ টিপুন, রসগোল্লা হলে ২ টিপুন, দই লাগলে ৩ টিপুন, ভাজা মিষ্টি লাগলে ৪ টিপুন, অন্য কোন মিষ্টি লাগলে ৫ টিপুন"
আমার সন্দেশ লাগত, আমি ১ টিপলাম।
- "ধন্যবাদ।  নরম পাকের সন্দেশের জন্যে ১ টিপুন, কড়া পাকের জন্যে ২ টিপুন, অন্যান্য প্রকারের জন্যে ৩ টিপুন।"
 ৩ টিপলাম।
- "ধন্যবাদ। আম সন্দেশের জন্যে ১ টিপুন, কফি সন্দেশের জন্যে ২ টিপুন, কাজু বরফির জন্যে ৩ টিপুন, সুগার ফ্রী সন্দেশের জন্যে ৪ টিপুন, ভাপা সন্দেশের জন্যে ৫ টিপুন, সরভাজার জন্যে ৬ টিপুন, মূল মেনুতে ফিরে যেতে ৯ টিপুন।"
উফফ।  কি বিরক্তিকর। টিপলাম ১।
- "ধন্যবাদ। ২৫০ গ্রামের জন্যে ১ টিপুন, ৫০০ গ্রামের জন্যে ২ টিপুন, ১ কিলোর জন্যে ৩ টিপুন, ৫ কিলোর জন্যে ৪ টিপুন, ১০ কেজির জন্যে ৫ টিপুন।"
ভুল করে ৫ টেপা হয়ে গেল।  ভয় পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ফোনে কেটে দিলাম।
পরমুহূর্তে ফোন বেজে উঠল।
....... ক্রিং ক্রিং।
 - "নমস্কার, অমুক সুইটস এ স্বাগত। আপনার মোবাইল থেকে ১০ কেজি সন্দেশের অর্ডার এসেছে, আপনার ঠিকানা বলুন।"
- কই, আমি তো অর্ডার দিই নি।
- "আপনার এই ফোনে থেকে এসেছে, আপনার দাদা বা ভাই কেউ দিয়েছে।"
- আজ্ঞে, আমরা ছয় ভাই। বড় ভাইয়ের জন্যে ১ টিপুন, মেজ ভাইয়ের জন্যে ২ টিপুন, সেজো ভাইয়ের জন্যে ৩ টিপুন, রাঙা ভাইয়ের ...
ফোন টা  হঠাৎ কেটে গেল।।
*** সংকলিত। ***

ওটা আমার চপ্পল `

*_```রং ফর্সা ছিলো না কিন্তু সুন্দর ছিলো .... উচ্চতা বেশী ছিলো না কিন্তু আমার যোগ্য ছিল .....ভালোবাসা না  দিক , আমার পদানুসরন করত .... মন্দিরে ঢুকতে চাইতো না কিন্তু বাইরে আমার জন্য অপেক্ষা করত... ```_*

*_``` অনেক কষ্ট করে ওকে পেয়ে ছিলাম .... বৌয়ের অমতে ওকে ঘরে এনে ছিলাম ...```_*

*_```...... আজ ও আমাকে ছেড়ে চলে গেলো .```_*

*_``` ওটা আমার চপ্পল  ```_*

*_``` শালা, কে যে চুরি করলো 😜```_*

অফিস থেকে বাড়ি

সুমিতের নতুন বিয়ে হয়েছে, কিন্তু অফিস থেকে বাড়ি ফেরার জন্যে সে কখনো কোন তাড়া দেখায় না। অফিসের সময় পেরিয়ে যাবার পরেও সে অনেক দেরি পর্যন্ত অফিসে বসে টুকটাক কাজ নিয়ে ব্যাস্ত থাকে।  অফিসের বড় কত্তার এই সব দেখেশুনে খুব অবাক লাগে। একদিন কৌতুহল দমনে ব্যার্থ হয়ে তিনি সুমিত কে জিগ্যেস করেই বসেন,  -ওহে..!! তোমার তো নতুন বিয়ে হয়েছে, তবুও প্রতিদিন লক্ষ্য করেছি দেরি পর্যন্ত অফিসে বসে থাক। ব্যাপার কি..??  -না না..কিছু নয় স্যার। আমার কাজ ভাল লাগে তাই বসে থাকি।  -ছোকরা..!! আমি তোমার জ্যাঠার বয়েসি। মানতে পারছি না এই যুক্তি। খুলে বল তো। তোমার কি স্ত্রী পছন্দ হয় নি..?? নাঃ..তাও কি করে হয়। তোমরা তো শুনেছি নিজেই বিয়ে করেছ।  সুমিত চুপ..!! আরও খানিক জোর দেবার পরে, সুমিত,  -আপনার কাছে আর কি লুকবো .! আসলে স্যার আমার স্ত্রীও জব করে আর আমাদের মধ্যে যে আগে বাড়ি পৌঁছয়, বাসন মাজা আর রান্নাটা তাকেই করতে হয়..!!  😝😝

যেখানে ভাবনা সেখানেই শৌচালয়

পাঁচু মদ 🍺খেয়ে মাতাল
হয়ে গভীর
রাতে বাড়িতে ফিরে ঘুমাতে গেলো।😴
ঘুমাতে ঘুমাতে দেখল
যে সে মারা গিয়েছে।
সে পরজগতে গিয়ে ঈশ্বরকে অনুরোধ
করল
দুনিয়ায় আরেকবার ফেরত পাঠানোর
জন্য।
ঈশ্বর তাকে আরেকটা সুযোগ
দিলো আর
মুরগী 🐓বানিয়ে
দুনিয়ায় ফিরে পাঠাল।
মুরগী হয়ে সে একটা ডিম দিল।
ডিম দেখে সে হতভম্ব হয়ে গেলো।
ডিমটা ছিল সোনার
খুশিতে সে জোর দিয়ে আরেকটা ডিম
দিল। সেটাও
সোনার ডিম সে আরও
খুশিতে জোশের
সাথে তিতীয়বারের
মত ডিম পাড়ার জন্য জোর দেয়া শুরু
করতেই কেউ
একজন
তাকে জুতা মারল।
সে চোখ খুলে দেখল তার
স্ত্রী চিৎকার
করে যাচ্ছে-
“উঠ শালা !
বিছানায় পটি
Φ
Φ
🚽
করেই যাচ্ছে তো করেই যাচ্ছে !!! 😷😷
Moral : যেখানে ভাবনা সেখানেই শৌচালয় 😜

নার্স অজ্ঞাণ এখনও

একটি বৃদ্ধ হসপিটালে তার শেষ নিশ্বাস নিচ্ছিল৷
.
তার Bed র পাশে তখন একটি নার্স, তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে ছিল৷
.
বৃদ্ধ বড় ছেলেকে বলল - " আমি তো আর বেশীক্ষন বাচবো না৷ তাই park street র ১৫ টি বাড়ি তুই নে৷ "
.
মেয়েকে বলল - " ধর্মতলায় ১৭ টি বাড়ি তুই নে৷ "
.
ছোটো ছেলেকে বলল - " তোকে তো আমি খুব ভালোবাসি তাই বেহালার ২০ টি বাড়ি তোর৷ "
.
স্ত্রীকে বলল - " আমার যাবার পর কারো কাছে তোমাকে হাত পাততে হবে না৷ তাই dlf র ১০ টি ফ্ল্যাট তুমি রাখো৷ "
.
তখন নার্স তার স্ত্রীকে বলল - " আপনি কত ভাগ্যবান আপনার স্বামী আপনাদের জন্য কত সম্পত্তী দিয়ে যাচ্ছে৷ "
.
.
.
.
.
.
.
স্ত্রী বলল কিসের সম্পত্তী৷ ও দুধয়ালা ৷ আমাদেরকে সকালে দুধ দেওয়ার Duty ভাগ করল !!!
.
.
.
.
.
.
নার্স অজ্ঞাণ এখনও.....

ইঞ্জিনিয়ার vs ডাক্তার মজার গল্প:

ইঞ্জিনিয়ার vs ডাক্তার মজার গল্প:
এক ইঞ্জিনিয়ার কিছুতেই ভালো একটা চাকরি পেল না।
তখন সে একটা ক্লিনিক খুলল আর বাইরে লিখে দিল – “৩০০ টাকায় যে কোন রোগের চিকিৎসা করান চিকিৎসা না হলে এক হাজার টাকা ফেরৎ”
এক ডাক্তার ভাবল এক হাজার টাকা রোজকার করার একটা দারুণ সুযোগ!
সে সেই ক্লিনিকে গেল…
আর বলল,
“আমি কোন জিনিস খেতে গেলে তাতে কোন স্বাদ পাই না ।”
ইঞ্জিনিয়ার নিজের নার্সকে বলল, “২২ নাম্বার বক্স থেকে ওষুধ বার কর আর ৩ ফোটা খাইয়ে দাও ওনাকে।”
নার্স খাইয়ে দিল।
রুগী (ডাক্তার) – “আরে, এটা তো পেট্রোল ।”
ইঞ্জিনিয়ার – “Congratulation…. দেখলেন তো আমাদের ক্লিনিকের কামাল।
আপনি টেস্টটা জিভে পেয়ে গেছেন। এবার আমাকে আমার ৩০০ টাকা ফী দিয়ে দিন।”
ডাক্তার টাকাটা দিয়ে দিল এবং চলে গেল মনে দুঃখ আর রাগ নিয়ে।
কিন্তু ডাক্তার ভীষণ চতুর। ভাবল, একে টাইট করতে হবে আর পয়সাটাও উসুল করতে হবে।
তাই আবার কিছুদিন পর সে সেই ক্লিনিকে এলো।
.
ডাক্তার – “আমার মেমরি কমে গেছে। কিছুই মনে থাকেনা ।”
ইঞ্জিনিয়ার – “নার্স, এনাকে ২২ নাম্বার বক্স থেকে ৩ ফোটা খাইয়ে দাও তো।”
ডাক্তার – “কিন্তু স্যার, ওটা তো স্বাদ ফিরে পাওয়ার ওষুধ”
ইঞ্জিনিয়ার – “দেখলেন তো ওষুধ খাওয়ার আগেই আপনার মেমরি ফিরে এসেছে, দিন আমার ৩০০ টাকা ।”
এবার ডাক্তার খুব রেগেই বাড়ি গেল আরও ৩০০ টাকা দিয়ে।
আবার কিছুদিন পর ক্লিনিকে এসে বলল,
.
“স্যার । আমার দৃষ্টিশক্তি একেবারেই কমে গেছে। একদমই দেখতে পাচ্ছি না!
ইঞ্জিনিয়ার – “এর কোন ওষুধ আমার কাছে নেই । এই নিন, আপনার ১০০০ টাকা।”
রুগী (ডাক্তার) – “কিন্তু এটা তো ৫০০ টাকার নোট।”
ইঞ্জিনিয়ার – “দেখুন, আপনার দৃষ্টিও ফেরৎ এসে গেছে। দিন আমার ৩০০ টাকা।"

হাঁদু, পরীক্ষা

কীরে হাঁদু, পরীক্ষা কেমন দিলি?
- ভালো।
- কী এসেছিল কোশ্চেন?
- ঐ তো, শেক্সপিয়ারের পাঁচটা নাটকের নাম লিখতে বলেছিল, আর সেগুলো কী নিয়ে লেখা, সেইটা বলতে বলেছিল।
- পারলি?
- হ্যাঁ, হ্যাঁ, ও তো আমার মুখস্ত।
- কী লিখলি?
- লিখলাম, শেক্সপিয়ার খুব মামলেট খেতে ভালবাসত। একবার ডিমের মধ্যে হ্যাম পড়ে গেছিল বলে সেটা হয়ে গেল হ্যামলেট। তাই নিয়ে একটা নাটক।
- বাহ। আর?
- তারপর একদিন ওর মা রান্নাঘরে দুধ গরম করতে বসিয়ে বাথরুমে গেছিল, বলে গেছিল, বাবা, একটু খেয়াল রাখিস। সেই দুধ উথলে উঠে পুড়ে গেল। তাই নিয়ে লিখল - ওথেলো।
- উরিব্বাস। তারপর?
- তারপর একবার ও আর ওর মা ভেনিসে গেছিল, সেখানে গিয়ে ওর মার গলার চেন হারিয়ে গেল। তাই নিয়ে একটা নাটক লিখল - মার চেন অফ ভেনিস।
- এক্সেলেন্ট। নেক্সট?
- ইস্কুলে ওদের গো অ্যাজ ইউ লাইক নিয়েও কী একটা নাটক লিখেছিল। আমি লিখে এসেছি, নামটা এখন ঠিক মনে পড়ছে না। ঐ রকমই কিছু নাম।
- আর? পাঁচ নম্বর?
- আর একটা কী যেন? কী যেন, কী যেন? ও হ্যাঁ। শেক্সপিয়ারের মেয়ে হয়েছিল জুলাই মাসে, তার নাম দিয়েছিল জুলিয়া। তার একটা কাঁচি ছিল। সেই নিয়ে নাটক - জুলিয়া'স সিজার।

পাংচার

এক ভদ্রলোকের পাঁচ ছেলে l বড় ছেলের নাম  ভাঙ্গা, মেজো ছেলের নাম বাসি, সেজো ছেলের নাম  পচা, তার পরেরটার নাম মুতে এবং ছোট টার নাম পাংচার।

একদিন ওদের বাড়িতে এক অতিথি এলেনl

বাবা::-  আপনি এসেছেনl বসেন  বসেন, ভাঙ্গা চেয়ারটা নিয়ে আয়l

অতিথি::- না না আমি বসবো নাl

বাবা::- আচ্ছা, না বসুন, ভাত খাবেনতোl বাসি ভাত নিয়ে আয় l

অতিথি::- না না just খেয়ে এসেছি। খাবোনা।

বাবা::- কিছুই খাবেন না, তা হয় না। পচা দই নিয়ে  আয়।

অতিথি::- না না দই খেলে   আমার ঠাণ্ডা লেগে যায়। প্লিজ আমি খাবো না।

বাবা::- তা কি হয়? কিছু না হোক অন্তত এক গ্লাস জল তো খান। ওরে মুতে জল দে।

অতিথি::- আপনি থামুন মশাই!!!

বাবা::- ইশ, আপনি কিছুই খেলেন না, ভালো লাগছে না আমার।

অতিথি::- আমি চললাম, পরে আসবো।

বাবা::- আপনি হেঁটে এসেছেন।আপনাকে কিন্তু আমি  হেঁটে  যেতে  দেবো  না। পাংচার সাইকেলটা নিয়ে  আয়।
(অতিথি কোনো কথা না বলে দৌড়ে পালালেন)😝😂😝😂

বোমা

>> হেড স্যার ১টা ছাত্রকে বললোঃ-
স্যার: আচ্ছা কেউ যদি স্কুলের
সামনে বোমা রেখে যায়
তাহলে তুমি কি করবে??
>> একটু ভেবে ছাত্রটি বললোঃ-
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
ছাত্র: কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে দেখবো..
তারপর কেউ যদি না নেয় তাহলে হেড
স্যারের
রুমে গিয়ে জমা দিয়ে আসবো..!!

সাংবাদিক

ABP আনন্দের মহান
সাংবাদিক সুমন এক কৃষক এর
সাক্ষাৎকার নিচ্ছে -
সুমন : তুমি ছাগল দুটোকে কি
খেতে দাও ?
কৃষক : কোন ছাগলটা কে,
সাদা টা কে না কালো টা
কে ?
সুমন : কালো টা কে ?
কৃষক : ঘাস
সুমন : আর সাদা টা কে ?
কৃষক : ওটাকেও ঘাস খেতে
দিই।
সুমন : তুমি ছাগল দুটোকে
কোথায় বেঁধে রাখো ?
কৃষক : কোন ছাগলটা কে,
সাদা টা কে না কালো টা
কে ?
সুমন : কালো টা কে ?
কৃষক : গোয়ালে, একটা খুঁটির
সাথে।
সুমন : আর সাদা টা কে ?
কৃষক : ওটাকেও গোয়ালে ওই
একই খুঁটির সাথে।
সুমন : তুমি ছাগল দুটোকে কি
দিয়ে পরিস্কার রাখো ?
কৃষক : কোন ছাগলটা কে,
সাদা টা কে না কালো টা
কে ?
সুমন : কালো টা কে ?
কৃষক : জল দিয়ে চান করাই।
সুমন : আর সাদা টা কে ?
কৃষক : ওটাকেও জল দিয়ে
চান করাই।
সুমন (প্রচন্ড রেগে গিয়ে) :
শালা, হারামী...দুটো ছাগল
এর সাথেই যখন সব কিছু
একরকম হচ্ছে তখন বার বার
আমাকে জিজ্ঞাসা করছো
কেন যে সাদা ছাগল টা না
কালো ছাগল টা ?
কৃষক : কারন কালো ছাগল টা
আমার।
সুমন : আর সাদা ছাগল টা ?
কৃষক : ওটাও আমার।
এই শুনে সুমন অজ্ঞান। যখন
জ্ঞান ফিরলো তখন কৃষক
সুমনকে বললো - এবার বুঝলি
যখন টিভি তে একই খবর
বারবার বলে আমাদের
কানের পোকা মেরে দিস
তখন আমাদের কেমন লাগে ?

পাঁচকড়ি ঠাকুর

Evening fun😊😊😊

বয়স্ক দুই ভাইবোন পাশাপাশি বসেছিলেন বাসের সিটে । সামনে দাঁড়িয়ে দুটি ছেলে , কলেজ ছাত্র বলে মনে হয় । একটি ছেলের স্টপ এসে যাওয়ায় সে যখন নামতে যাচ্ছে অন্য ছেলেটা বলে উঠল , "মিমি ,নোটসটা কাল আনিস মনে করে।" "আচ্ছা" বলে নেমে গেল সে।
সামনে বসে থাকা ভদ্রলোক যেন আপনমনেই বললেন , "মিমি ,ছেলের নাম মিমি!"
ছেলেটি বলল ,"এখন শর্টকাটের যুগ কাকু। গেট টুগেদারকে আমরা গেট্টু বলি , অ্যাডভার্টাইজমেন্টকে অ্যাড - মিলন মিত্র তাই মিমি ।"
কপালে জোড়হাত ঠেকালেন ভদ্রমহিলা , "ভাগ্যিস তোমাদের কালে জন্মাইনি!"
"কেন মাসিমা ," শুধালো ছেলেটি।
"আমার নাম গায়ত্রী ধাড়া।"
"আর আমি পাঁচকড়ি ঠাকুর।" ভদ্রলোক বললেন ..... 😜😜😀😀😀

খিদে

ছোটু মাঠে বসে হাগু করছিল 💩
দুটো গ্যাস ছাড়ল
পুররর..🌬💨
পুররর..🌬💨

একটা শুয়োর আর তার বাচ্চা সেটা লক্ষ্য করছিল 🐷🐷

বাচ্চা : মা আমার খিদে পেয়েছে 😞😞
মা : দাড়াও সোনা আর একটা সিটি পড়তে দাও রান্না হয়ে এসেছে!!

Smartphone

-স্মার্টফোন-----
.
রাতে ডিনারের শেষে আমার স্ত্রী ক্লাস ওয়ানের খাতা দেখছিলো। আসলে আমার মিসেস একজন প্রাইমারী টিচার। খাতা দেখতে দেখতে আমার মিসেসের চোখ দুটো ছলছল করে করে উঠেছে।
আমি কাছেই বসে টিভি দেখছিলাম। মিসেসের দিকে নজর যাওয়াতে দেখি আমার স্ত্রী চোখের জল মুছছে।
আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে কাঁদছো কেনো!!!
আমার মিসেস বললো..
--ক্লাস ওয়ানের পরীক্ষায় এক রচনা এসেছে। "my wish"।
--তো কাঁদার কি হলো!!
--সব খাতা গুলো দেখলাম। সবাই ভালো লিখেছে।
--তো?
--একজনের খাতা দেখে আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। চোখ দুটো জলে ভরে উঠলো।
--আচ্ছা বলো কি লিখেছে ওই বেবি।
মিসেস রচনা পড়তে শুরু করলো.....
.
আমার ইচ্ছা আমি স্মার্টফোন হবো।
আমার বাবা মা স্মার্টফোন খুব ভালোবাসে। কিন্তু আমায় ভালোবাসে না।
যেখানে যায় আমার বাবা তার স্মার্টফোন সঙ্গে করে নিয়ে যায়। কিন্তু আমায় সঙ্গে করে নিয়ে যায় না।
ফোন এলে আমার মা তাড়াতাড়ি গিয়ে ফোন ধরে। কিন্তু আমি কান্না করলেও আমার কাছে আসে না মা।
আমার বাবা স্মার্টফোনে গেম খেলে। কিন্তু আমার সাথে খেলে না। আমি বাবাকে বলি আমায় একটু কোলে নাও না বাবা। কিন্তু বাবা আমায় কোলে নেয় না। স্মার্টফোনটাই সব সময় বাবার কোলে থাকে।
মা কে গিয়ে বলি, মা মা চলো না আমার সাথে একটু খেলবে। কিন্তু আমার মা আমার উপর রেগে গিয়ে বলে, দেখতে পাচ্ছিস না আমি এখন তোর মামার সাথে চ্যাটে কথা বলছি।
আমার বাবা মা রোজ স্মার্টফোন টাকে যত্ন করে মোছামুছি করে। কিন্তু আমায় একটুও আদর করে না।
আমার মা যখন বাবার সাথে ফোনে কথা বলে তখন মা স্মার্টফোনে বাবাকে পাপ্পি দেয়। কিন্তু আমায় একদিনও পাপ্পি দেয়নি মা।
আমার বাবা মাথার কাছে স্মার্টফোন নিয়ে ঘুমায়। কিন্তু আমায় কোনোদিনও জড়িয়ে ধরে ঘুমায় না।
আমার মা রোজ চার পাঁচবার স্মার্টফোন টিকে চার্জ দেয়। কিন্তু মাঝে মাঝে আমায় খাবার দিতে ভুলে যায় মা। কিন্তু স্মার্টফোন টিকে চার্জ দিতে ভুলে না আমার মা।
তাই আমি স্মার্টফোন হবো।
আমার ইচ্ছা স্মার্টফোন হয়ে বাবা মায়ের সাথে সবসময় থাকতে চাই।
.
স্ত্রীর মুখে লেখাটি শোনার পর আমি খুব ইমোশনাল হয়ে স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলাম..
--কে লিখেছে এই রচনাটি ?
--আমাদের সন্তান।
আমি স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম কিছুক্ষন। অনেক কিছুই ভেবে চলেছি। আমার আর আমার স্ত্রীর চোখে তখন জলের ধারা নামতে শুরু করেছে।....
 I request every one please share this as many as u can.
 It's so must realistic for today's world.............?

Murgi

"বা! মুরগির মাংসটাতো বেশ নরম আর সুস্বাদু।" বললেন একজন খেতে খেতে।

"হবেনা কেন স্যার, পোষা মুর্গি, আর যা খাওয়াই - কাজু, কিসমিস, প্রোটিনেক্স... "

"কি ? মুর্গিকে কাজু কিসমিস? ব্ল্যাক মানি রাখার আর জায়গা পাওয়া যাচ্ছেনা বুঝি? দেখি সব খাতা পত্তর।"

মুরগির দাম তো দিলোইনা উল্টে দু হাজার টাকা পকেটে পুরে ইনকাম ট্যাক্স অফিসার চলে গেলেন।

কদিন বাদে আরেকজনও মুরগি খেয়ে খুব খুশি, "বা! পোষা মুরগি বুঝি? তা কি খাওয়ান এদেরকে?"

হোটেল মালিক সাবধান হয়ে গেছেন, "আজ্ঞে, ভালো কিছু তো আর খাওয়াতে পারিনা, ওই পোকামাকড়, আরশোলা এসবই খাওয়াই।"

"কি? মুরগিকে পোকামাকড় খাওয়ান? জানেন আমি Prevention of cruelty to eatable birdsএর প্রেসিডেন্ট। মানেকা গান্ধীকে জানালে আপনার ভিটেয় মুরগির বদলে ঘুঘু চড়বে।"

গেলো আরো দু হাজার টাকা।

কদিন বাদে আরেক খদ্দেরের প্রশ্নে হোটেল মালিকের সোজা সাপ্টা জবাব, "একদম বলতে পারবোনা স্যার। সকালে প্রত্যেক মুরগির হাতে এক টাকা করে দিয়ে দিই। কে কি কিনে খায় জানিনা।"

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট

যদি অন্য প্রাণীদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থাকত তাহলে কেমন হত তাদের স্ট্যাটাস আপডেট ??

তেলাপোকা : এইমাত্র বেঁচে ফিরলাম,
একটা মটু লোকের পায়ের নিচে একটু হলেই
চাপা পড়ছিলাম আর কি ! হায় ভগবান, একি রিস্কি জীবন দিয়েছ আমাকে ?
feeling sad

বিড়াল : আজ সকালে একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটল৷
আমার ৭ নম্বর বাচ্চাটা হঠাৎ গলা জড়িয়ে ধরে জানতে চাইল ওর বাবা কে ?
আমি এখন কি করে বলি ?
আমার নিজেরই যে মনে নেই !
feeling confused

মশা : OMG ! আমি HIV পজিটিভ !
কেন যে টেস্ট না করেই রক্ত
খেতে গেলাম !!!
feeling heartbroken

ছাগল : যাক, সব পূজা শেষ হলো।
এবার একটু শান্তিতে বাইরে বেরুতে পারব।
feeling relaxed

মুরগী : কাল যদি আমি কোন স্ট্যাটাস না দিই, তাহলে বুঝে নিও ফ্রেন্ডস আমি আছি কোনো বিয়ে বাড়ির রোস্টের ডিশে।
feeling disappointed

বাঘ : ব্যাটা আসছে বন্দুক নিয়ে আমাকে শিকার করতে...., একটা 'হালুম' করছি আর ভয়ে দে দৌড় !
feeling proud

বাদুড় : সারাদিন তো সিধা হয়ে ঝুলে থাকি,
মানে পা ওপরের দিকে আর মাথা নিচের দিকে। আজ কিছুক্ষণের জন্য উল্টো হলাম। আর দেখি কি আজব তামাশা !
মানুষগুলো সব উল্টো হয়ে হাঁটছে !
feeling missing

ময়ুরী : জন্মদিনটা চমৎকার কাটল....
ও আমাকে আজ পেখম মেলে নাচ দেখালো...
বেঁচে থাকার মাঝে এতো সুখ কি যে করি ??
feeling loved

কোকিল : শীত এসে গেল, আর শীত গেলেই তো শুরু হয়ে যাবে আমাদের লাইভ কনসার্ট। গেলাম। আবার রেওয়াজে বসতে হবে....
feeling exited

উকুন : আ্যডমিন আজ টেনশনে ফেলে দিয়েছিলো। হঠাৎ করে আজ মাথায় চিরুনি অভিযান চালাচ্ছিলো। অল্পের জন্যে চিরুনির ফাঁক দিয়ে বেঁচে ফিরেছি।
feeling awesome

টিকটিকি : ইয়েস, আই ডিড ইট !
ব্যাটা সারাদিন কম্পিউটার
খুলে ফেসবুকে মুখ গুঁজে বসে থাকে। বাথরুমটা সেরেছি একেবারে মাথার উপরের ছাদে বসে,
একেবারে ঠিক টাকের উপর।
ওয়াও ! হোয়াট আ টার্গেট !
feeling crazy

😇 *এ কি বিড়াম্বনা*



মানুষ মদ্যপান🍺 করে আর ধুমপান শুরু করে......
আর কিছু দিনের মধ্যে আসক্ত হয়ে পড়ে ......!

কিন্তু

আমি তো সেই শিশু অবস্হা পড়াশোনা 📖📚 করছি.......
আমি কিন্তু পড়াশোনাতে আসক্ত হয়নি !!!!


একেই বলে *আত্মসংযম*

😃😃😃

সবাই বলে, সবুজ শাক পাতা সবজি খেলে ওজন কমে ! ! !

কিন্তু সত্যিই কি হয়.....

তাহলে মোষ কে দেখুন , বেচারা  সারাজীবন সবুজ ঘাস খেয়ে গেল ***==
😜😳😚

নেহরু চাচা বলেছেনঃ- *অলসতা* তোমার সবচেয়ে বড় *শত্রু*
আবার গান্ধীজি বলেছেনঃ- তোমার শত্রুকে তুমি ভালোবাস।

এবার বলুন কার কথা শুনি চাচার না গান্ধীজীর

😜😜😜

হাঁটলে দৌড়লে না কি স্বাস্থ্য ভালো থাকে, মানুষ দীর্ঘায়ু হয়......

তাহলে * *

*খরগোশ* এত দৌড়াদৌড়ি করেও মাত্র ১৫ বছর বাঁচে

আর...

ধীরগামী *কচ্ছপ* ৩০০ বছর বাঁচে ,,,,,,,,

*সারমর্ম*
কোরো না কোনো ব্যায়াম
করো শুধুই আরাম ম ম....

 *বাবা আরাম দেব*
✋😜😊😔😔👏

Tiktiki

টিকটিকি কি ?
টিকটিকি হল গরীব কুমির যারা ছেলেবেলায় হরলিক্স খেতে পায়নি ।
-----------------------------------
পিৎজা কি ?
এটা একটা পরোটা যেটা উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়েছিল ।
-----------------------------------
স্টার আনন্দ এবং স্ত্রীর মধ্যে মিল কি ?
যতক্ষণ না একই কথা একশ বার বলছে শান্তি হয় না ।
--------------------------------
জীবনের একটা শ্রেষ্ঠ সুযোগ -
বউ এর গালে একটা  মশা________|
------------------------------
কাশ্মীর আর স্ত্রীর মধ্যে মিল কোথায় ?
দুটোই জ্বলন্ত সমস্যা । কিন্তু প্রতিবেশী নজর দিলে রাগ হয়।
😜😋😍😄😉���😎

Ma Kali

একটা লোক মা কালীর সামনে বসে গাঁজা খাচ্ছিল ,
এমন সময় মা ,তাকে একটা চড় মারল,
লোক - মা ,আমার অপরাধ কি ?
মা - ওরে পাগল ! তোর গাঁজার গন্ধে
বাবা নড়ে গেলে আমি পড়ে যাব যে !

*HEART- TOUCHING*



বাস থেকে নেমে *পকেটে* হাত ঢুকিয়ে আমি চমকে উঠলাম।

*পকেটমার* হয়ে গেছে।

 *পকেটে* ছিলটাই বা কি?

মোট *90* টাকা আর *একটা চিঠি,*

যেটা আমি
 *মা*কে লিখেছিলাম যে—

আমার *চাকরি* চলে গেছে;

এখন আর *টাকা* পাঠাতে পারব না।


 তিনদিন ধরে ঐ *পোস্টকার্ডটাও* পকেটে পড়েছিল।

 *পোস্ট* করতে *মন* করছিল না।

*90 টাকা* পকেটমার হয়েছে। এমনিতে *90 টাকা* কোন
 *বড় অংকের* টাকা নয়,

কিন্তু ,যার *চাকরি* চলে গেছে
তার কাছে *90 টাকা* ,, *900টাকার* থেকে কম নয়।

 কিছুদিন পর।
*মায়ের*  *চিঠি* পেলাম।

 *পড়ার* আগেই আমার *লজ্জা ও ভয়* লাগছিল।

 নিশ্চয়ই *টাকা* পাঠাতে লিখে থাকবে।….

কিন্তু,
*চিঠিটা* পড়ে
আমার *মাথাটা* ঘুরে গেল।

 *মা* লিখেছে— *“বেটা,* তোর পাঠানো *1000 টাকার*
  *মানি অর্ডারটা* পেয়েছি।

 বাবা তুই কত *ভাল* রে *সোনা*!…

*টাকা* পাঠাতে
 কখনও *অবহেলা* করিসনি।


আমি *আকাশ-পাতাল* চিন্তায় ব্যস্ত ছিলাম...
তাহলে

 *মা* কে *মানি অর্ডার* কে পাঠাল?

কিছু *দিন* পর, আর
একটা *চিঠি* পেলাম।

 *কয়েক লাইন* লেখা ছিল— *আঁকা-বাঁকা।*
 খুবই *কষ্ট* করে *চিঠিটা* পড়তে পেরেছি।

 লেখা ছিল— *“ভাই,*
 *90 টাকা* তোমার
আর
*910 টাকা*  আমার কাছ থেকে দিয়ে আমি
 তোমার *মা* কে *মানি অর্ডার*পাঠিয়ে দিয়েছি।

*চিন্তা করো না।….*

*মা* তো সবারই *একই রকম* হয়..তাই না?।

*কি তোর আর কি মোর*

 *সে কেন না খেয়ে কষ্ট করে  থাকবে…*

ইতি!
*তোমার--- পকেটমার👌👌..*

Suru

.

*পতি:* রাজা দশরথের নাম শুনেছ?

*পত্নী:*  হাঁ শুনেছি

*পতি:* তার তিনটে স্ত্রী ছিল

*পত্নী:*  জানি

*পতি:*  তাহলে আমি আরো দুজনকে বিয়ে করতে পারবো

*পত্নী:*  দ্রোপদীর নাম শুনেছ?

*পতি:*  ধুর পাগলী আমি মজা করছিলাম । সব কথা কি seriously নেয়।