বল্টুর মৌখিক

বল্টুর মৌখিক
পরীক্ষা চলছে।
স্যার বলছে : এমন
একটা
বিপদের নাম
বল যা থেকে উদ্ধার
হলেও বিপদ
না হলেও বিপদ

!
!
!
!
!
বল্টু : লুঙ্গিতে আগুন
লাগলে স্যার
,

খুললেও বিপদ
না খুললেও বিপদ। 

লুঙ্গিতে আগুন

বল্টুর মৌখিক
পরীক্ষা চলছে।
স্যার বলছে : এমন
একটা
বিপদের নাম
বল যা থেকে উদ্ধার
হলেও বিপদ
না হলেও বিপদ

!
!
!
!
!
বল্টু : লুঙ্গিতে আগুন
লাগলে স্যার
,

খুললেও বিপদ
না খুললেও বিপদ। 

জনক

(টিচার তার ছাত্রকে প্রশ্ন করলো)
❀❀❀❀❀❀❀❀❀❀❀❀❀

টিচারঃ এই  বলতো জনক
 কয় প্রকার?
(ছাত্র এত সোজা প্রশ্ন শোনে
দাঁত খিলিয়ে ফটাফট উত্তর দিল)
ছাত্রঃ স্যার জনক হলো দুই প্রকারঃ
একটা হলো জাতির জনক,
আর
একটা হইলো আশংকা জনক।

( উত্তর শুনে টিচার রেগে গিয়)

টিচারঃ তোর উত্তর হয় নি।
আর একটা জনক আছে।
আমি তোকে এখন বেত
 দিয়ে পিটাবো
 আর
সেটা হল তোর জন্য
বিপদজনক।

ছাত্রঃ স্যা আপনারটা ও হয় নি।
আর
এক প্রকার জনক আছে।
আমি এখন  দৌড় দিয় পলাবো।
আর সেটা হবে
 আমার জন্য
সুবিধা জনক।

পাশে থেকে আর
একটা ছাত্র উঠে বলল।

স্যারঃ আর এক প্রকার জনক আছে।
আপনি যদি দৌড়ে ওকে
না ধরে আনতে পারেন।
তবে
সেটা হবে আপনার জন্য
লজ্জাজনক।

আর
আপনারা এই jokes পড়ে
 যদি share
না করেন
তবে সেটা হব অপমান জনক।

গর্ভবতী

বাবা ছেলেকে: বেটা, তোর জন্য একটা খুব ভালো মেয়ে দেখেছি ...
সে রূপবতী ...
সে লক্ষীমতি ...
সে গুণবতী ...
সে স্বাস্থবতী ...
সে ধনবতী ...
সে ...
ছেলে: কিন্তু বাবা. আমি তো একজনকে ভালোবাসি ...
বাবা: চোপ বেয়াদপ, কি গুণ আছে তার ...



ছেলে: সে গর্ভবতী 

এক কথায় প্রকাশ:

এক কথায় প্রকাশ:
-----------------------------------------------------

ফ্রিজে রাখা সিম= হিমসিম

হাতে তৈরি দরজা= বাহুডোর

সোলার কুকারে যে রান্না করে= রবি ঠাকুর

কোষ বা সেলদের বাড়ি, প্রাণীদেহ = কোষাগার

মন্দ আশা= কুয়াশা

অঙ্ক করার কল বা মেশিন = কলঙ্ক

কল দিয়ে জল পড়ার শব্দ= কলরব

হেডলাইট বিগড়োন car = অন্ধ-কার

যে কবি লেখার নিয়ম জানেন = নোজ রুল (Knows Rule)

যে শহর মন হৃদয় কেড়ে নেয় = দিল-লি

একসাথে মারা কিল = কো-কিল

রাজা যাহা বলেন= কিং-বদন্তী

চায়ের সাথে মাছ ভাজা= চাওমীন (চা ও মীন)

যে বন্দুক ধীরে চলে = স্লোগান

কুলের আচার = কূলাচার

কুচি কুচি কুল = কুলকুচি

বেড়াল দের চাল = মিনিকিট

বেড়ালের বিবমিষা= ক্যাট ওয়াক

প্রেমের সৃষ্টিকর্তা = লাভজনক

জনগণের ইচ্ছা = লোকোমোটিভ

ক্ষোভ, রাগ রোষ নেই যার = রোষনাই

সিস্টার-সুলভ আচার = শিষ্টাচার..!

গাই হামারি মাতা হ্যায় আংরেজি নেহি আতা হ্যায়।

শিবরাম চক্রবর্তীর ভাই শিবসত্য চক্রবর্তী ছিলেন ঘাটশিলায় একটি হাই স্কুলের শিক্ষক।
শিবরাম একদিন ঘাটশিলা গিয়ে দেখলেন ভাই শিবসত্য খুব বিষণ্ণ মুখে বসে আছেন। শিবরম বললেন

-কি রে কি হয়েছে?

-আর বোলো না। ইংরেজি পরীক্ষার খাতাগুলো দেখো একবার।

শিবরাম দেখলেন উত্তরপত্রে প্রতিটা প্রশ্নের উত্তরে গরুর ছবি আঁকা রয়েছে এবং উত্তর হিসেবে লেখা হয়েছে 'গাই হামারি মাতা হ্যায় আংরেজি নেহি আতা হ্যায়।

২ নং প্রশ্নের উত্তরেও গরুর ছবি। সাথে  লেখা হয়েছে 'গাই হামারি মাই রে আংরেজি নেহি আই রে'।

৩ নং প্রশ্নের উত্তরেও যথারীতি গরুর ছবি, সাথে লেখা 'গাই হামারি মাতা জি, আংরেজি নেহি আতা জি'।

এইভাবে সব প্রশ্নেরই উত্তর দেওয়া হয়েছে।

শিবসত্য বললেন

-এবার বলো আমি কি করব?

-কি আবার করবি? ঘ্যাচাং ঘ্যাচ কেটে দিবি আর নাম্বার দিবি গোল্লা।

-বলো কি? গোল্লা দেব? গরুকে কাটব? তা হলে ওরা আমার মাথা কেটে নেবে।

শিবরাম অনেকক্ষণ ভাবনাচিন্তা করার পর বললেন,

-তা হলে এক কাজ কর। কাটতে হবে না, নাম্বারও দিতে হবে না। শুধু আনসার পেপারে লিখে দে, 'বলদ মেরা বাপ হ্যায়, নাম্বার দেনা পাপ হ্যায়'।

বদলা

.
বদলা

*পল্টু* - ধর্মাবতার, এমন বেইজ্জত আমি জীবনে কখনো হইনি.

*বিচারক* - কেন কি এমন হলো.

*পল্টু* - পাশের বাড়ির মেয়েটা স্নান করার সময় আমাকে দেখে ফেলেছে.

*বিচারক* - তা তুমি এখন কি চাও.

*পল্টু* -  বদলা.

স্বামীর রচনা

📌             " স্বামীর রচনা "
∆ ভুমিকাঃ
স্বামী একটি গৃহপালিত ও স্ত্রীভক্ত প্রাণী।
পুরুষমানুষ বিয়ের মাধ্যমে স্বামীতে রূপান্তরিত হয়ে থাকে। এদের সঠিকভাবে পোষমানালে ঘর ও বাইরের সমস্তরকম কাজে ব্যবহার করা যায়।
∆ খাদ্যঃ
এরা সর্বভুক প্রাণী হলেও চুমু ও আদর খেতে খুব পছন্দ করে। অনেক ক্ষেত্রে এরা স্ত্রীর সযত্নে তৈরী করা ‘ঢপ’ ও ‘বার’ সানন্দে ও তৃপ্তি সহকারে খেয়ে হজম করে।
∆ আকৃতিঃ
এদের সাধারণত একটি ভুঁড়ি, শক্ত ঘাড়, দুর্বল মেরুদণ্ড এবং টুপি পরবার উপযোগী মাপসই একটি মাথা থাকে।
∆ প্রকৃতিঃ
এরা সাধারণতঃ নিরীহ, শান্তিপ্রিয় ও ঝগড়াঝাঁটীতে অপটু হয়ে থাকে। বিয়ের আগে এদের স্বভাবে সিংহের বল থাকলেও বিয়ের পর সেই সিংহ দুর্গারূপিণী স্ত্রীর বাহনে পরিনত হয়। তাই এরা স্ত্রী-প্রভুর অবাধ্য হয়ে চরম অশান্তি ভোগের আশঙ্কায় চীরকাল মিনমিনে স্বভাবের মিনসে হয়ে থাকে।  এরা পুরনো কথার দিন-ক্ষণ, নাড়ি-নক্ষত্র সেভাবে মনে রাখতে পারেনা বলে ঝগড়া বা বিতর্কে প্রায়শই পরাজিত হয়। সাধারণত নারিদের প্রতি এদের একটু দুর্বলতা দেখতে পাওয়া যায়। কোন মহিলার অনুরোধ বা আব্দার এরা সহজে ফেলতে পারে না।
∆ উপকারিতাঃ
স্বামী উপকারী ও ভীষণভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় একটি প্রাণী। এরা ছুটির দিনে সংসারের নানাবিধ কাজ, যেমন প্যান পরিস্কার, ফ্যান পরিষ্কার প্রভৃতি করে থাকে। এছাড়া এরা স্ত্রীর চোখে আইলাইনার, আইশ্যাডো প্রভৃতি লাগিয়ে দিয়ে, শাড়ির কুঁচি ধরে স্ত্রীকে রূপচর্চাতে সাহায্য করে। এরা ভ্রমণের সময়ে কুলীরূপ ধারণ
করে ভারী ব্যাগ বহন করে, কখন বা এরা ড্রাইভার রূপ ধারণ করে স্ত্রীকে লং ড্রাইভে নিয়ে যায়। এদেরকে বিবাহ করে অনেক অতি সাধারণ নারী বিদেশভ্রমণ ও বসবাসের সুযোগ পায়। কর্মক্ষেত্রে অবসরের পর এদেরকে নাতি-
নাতনি প্রতিপালন, ঘর পাহারা, বারবার দোকানে গিয়ে প্রয়োজনীয় টুকিটাকি জিনিস কিনে আনা – এই ধরনের গৃহস্থালির কাজে ব্যভহার করা হয়ে থাকে।
∆ অপকারিতাঃ
অনেক প্রকার স্বামী অফিসের কাজে অধিকাংশ দিন রাতকরে বাড়ী ফেরে। অনেকে আবার বাড়ীতে অফিসের কাজও নিয়ে আসে। তাই এরা স্ত্রীকে তাদের চাহিদামতো সময় দিতে পারে না। অধিকাংশ স্বামীই স্ত্রীকে শপিং- এ নিয়ে গিয়ে ধৈর্য হারিয়ে ফেলে। তাদের শাড়ী, গয়না কেনার যথাযথ সঙ্গী হতে পারে না।
∆ উপসংহারঃ
গৃহপালিত প্রাণীদের মধ্যে সংসারে স্বামীর চেয়ে শ্রেষ্ঠ প্রাণী বিরল । যে আবিষ্কারক ‘স্ত্রী’ নামক ‘দামি’ পোষমানানোর ‘যন্তর’- টি আবিষ্কার করেছিলেন, তাঁর কাছে পৃথিবীবাসি চির-কৃতজ্ঞ থাকবে।