BANGLA COMEDY ON LOCKDOWN SPECIAL

(1)
বিশ্বাস দার উপস্থিত বুদ্ধির জন্য ঘরে-বাইরে খুব সুনাম। সকলে ভরসাও করে খুব। লকডাউনে বুদ্ধি দিয়ে ঘর সাজানো, অল্প খরচে সংসার সামলানো, গ্যাস বাঁচিয়ে কাঠে রান্না, নিজের জাঙ্গিয়া কেটে মাস্ক বানানো...সব নিখুঁত'ভাবে সামলে নিচ্ছে! গতকাল বৌদি একটু আদর দিয়ে ছুকছুক করছিল! অত রাতে মেডিসিনের দোকান বন্ধ, বাড়িতে'ও কন্ডোম ও বাড়ন্ত!...বিশ্বাস'দা কি থেমে থাকবে নাকি! সবার'ই তলা গরমে বুদ্ধিনাশ হলেও উনি উপস্থিত বুদ্ধি কাকে বলে,  দেখিয়ে দিলেন !...ফ্রিজ থেকে রুই মাছের পটকা দিয়ে কন্ডোম বানিয়ে বৌদিকে ভোর অবধি ,...., উথাল-পাথাল করে দিল! কে বলে,  শুধু মেয়েদের উপস্থিত বুদ্ধি বেশি! ...
 

(2)
                                                                     লোকে নিজের গাড়ির সামনে পেছনে ডক্টর, ল'ইয়ার, জজ, আর্মি, 
                                                                     পুলিশ, KMC, CESC, ফায়ার ব্রিগেড কতো কিছু লেখে l
                                                                      সাহা বাবু নিজের গাড়ির সামনে লিখেছেন :
                                                                      " Ex-Covid Patient " !!!
                                                                      আপাততঃ রাস্তায় VIP ট্রিটমেন্ট পাচ্ছেন l ওনার গাড়ি আসতে 
                                                                      দেখলেই সামনের রাস্তা ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে !!! 

                                                               

(3)
সকালে কার্তিকের মুদিখানায় গেছিলুম ফর্দ নিয়ে।
এটা ওটা ভাবছি , আর অমনি সামনের মেসোমশাই বলা নেই, কওয়া নেই হঠাৎ সশব্দে বায়ুত্যাগ করলেন।
দু-কথা শোনাতে যেই না এগোতে যাবো , উনি নিজেই এসে বললেন : --
শোনো বাওয়া , যদি আওয়াজ পেয়ে থাকো তাহলে বুঝবো নিয়ম মেনে যথেষ্ট দূরত্ব পালন করছো না।
যদি কটু গন্ধ পেয়ে থাকো , বুঝবো তোমার মাস্ক ঠিকঠাক কাজ করছে না।
সামাজিক দূরত্ব পালন করো , এন -৯৫ মাস্ক ব্যবহার করো। চলো একসাথে করোনাকে হারিয়ে দেই।
আজ একটু বাইরে বেরিয়ে ছিলাম, রাস্তায় পুলিশ মারবে বলে লাঠি তুলতেই বললাম: "মদ কিনতে যাচ্ছি"|
লাঠি নামিয়ে নিয়ে বলল: "তাড়াতাড়ি যান নাহলে বন্ধ হয়ে যাবে"|
জানি না কেন যেন নিজেকে এক সৎ দেশপ্রেমিকের মতো বেশ গর্বিত বলে মনে হচ্ছে !

(4)
বিয়ের পর এক নবদম্পতি গেল ডাক্তারের কাছে, ফ্যামিলি প্ল্যানিং এর উদ্দেশ্যে। তো তারা সব জেনেশুনে কন্ডোম চুজ করল, হাসিমুখে ডাক্তারের চেম্বার থেকে বিদায় নেবার দু'মাসের মাথায় মি. হাজব্যান্ড রাগান্বিত অবস্থায় আবার চেম্বারে হাজির, ডাক্তার জিজ্ঞাসা করলেন - কি হল ? এত রাগছেন কেন? মি. হাজব্যান্ড বললেন কি দিলেন আমার বউ তো প্রেগন্যান্ট, ডাক্তার বললো আপনি কি কন্ডোম ইউজ করতে ভুলে গেছিলেন কখনো? মি. হাজব্যান্ড বললেন, অসম্ভব যাতে ভুলে না যাই সেইজন্য আমি এটা ২৪ ঘন্টাই পরে থাকি! এবার ডাক্তার ভীড়মি খেয়ে জিজ্ঞাসা করলেন তাহলে আপনি হিসু করেন কিভাবে? জবাবে তিনি বললেন কেন কন্ডোমের মাথায় একটা ফুটো করে নিয়েছি! উত্তর শুনে ডাক্তার অজ্ঞান..


আমাদের রাজ্যে রাত্রে করোনা থেকে বাঁচতে কারফিউ আর দিনে মদের দোকানে লম্বা লাইন পুরা ব্যাপারটাই এই ফুটো কন্ডোমের মত; গল্পের ডাক্তার অজ্ঞান হয়েছিল, বাস্তবে পাবলিক মরবে এই যা পার্থক্য। 

Bangla comedy cuts lock down special
Bangla comedy cuts COVID special jocks

মোমবাতি ব্যবহার


সম্পূর্ণ ভুল বোঝাবুঝি কাকে বলে।

ঘোষ বাবু রাতে বাড়ি ফিরতেই তার স্ত্রী আদুরে ভঙ্গিতে তার
গলা জড়িয়ে ধরে বললেনঃ
‘ওগো সোনা!
আমি মনে হয় তিনমাসের প্রেগনেন্ট!! ডা ক্তার কয়েকটা টেস্ট দিয়েছে নিশ্চিত হওয়ার জন্য। এই শোন! আমরা কিন্তু নিশ্চিত না হয়ে কাউকে বলব না!! ঠিক আছে?’
ঘোষ বাবু মুচকি হাসলেন।

পরদিন ঘোষ বাবু অফিসে যাওয়ার পর হঠাৎ টেলিফোন টা বেজে উঠলো।।।
সুকন্ঠি তরুনীর গলা ভেসে এল ওপাশ থেকে।

তরুনীঃ ‘হ্যালো! আমি ইলেকট্রিক সাপ্লাই আপিস থেকে বলছি,এটা কি মিস্টার ঘোষের বাড়ি ?
মিসেস ঘোষ: ‘হ্যাঁ, বলছি’
তরুনীঃ ‘ম্যাডাম, আপনার তো তিন মাস হয়ে গেছে!!’
মিসেস ঘোষ অবাক হয়ে বললেনঃ ‘আপনারা কিভাবে জানলেন?!’
তরুনীঃ ‘আমাদের ফাইলে লেখা আছে ম্যাডাম!
মিসেস ঘোষ উৎকন্ঠিত হয়ে বললেনঃ ‘কিন্তু কিভাবে??
আপনারা জানলেন কিভাবে???’
তরুনীঃ ‘আমাদের নিজস্ব পদ্ধতি আছে ম্যাডাম!!’
বিভ্রান্ত হয়ে মিসেস ঘোষ বললেনঃ ‘ঠিক আছে, আমার husband ফিরলে ওর সাথে আগে কথা বলে নিই!!’
রাতে ঘোষ বাবু সব শুনে তো ক্ষেপে গেলেন!
পরদিনই বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে
বললেনঃ ‘আপনারা নাকি জানেন আমার স্ত্রীর তিন মাস হয়ে গেছে?
শান্তভাবে তরুণী অফিসার বললেনঃ  ‘স্যার! জানাটাই তো আমাদের কাজ!!’
থমথমে মুখে ঘোষ বাবু বললেনঃ ‘তা কিভাবে জানলেন আপনারা?’
তরুণী উত্তর দিলোঃ ‘শান্ত হোন স্যার! আপনার শুধু বিলটা দিয়ে দিলেই চলবে!’
রেগে গিয়ে ঘোষ বাবু বললেনঃ ‘আর যদি না দি ?’
তরুণী জবাব দিলোঃ ‘সেক্ষেত্রে স্যার আপনারটা কেটে দেওয়া ছাড়া আমাদের কিছু করার নেই!!
ঘোষ বাবু চিৎকার করে বললেনঃ
“ আমার টা কেটে দিলে, তখন আমার স্ত্রী কি ভাবে থাকবে??"
তরুনী মুচকি হেসে জবাব দিলোঃ
“ তখন আপনার স্ত্রীর,,,,,,,,,

মোমবাতি ব্যবহার করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না!!