বাংলা কৌতুকের হরে কর কমবা

বিকিনি এমন একটা ড্রেস যেটা পরিধান করলে মেয়েদের দেহ ৯০% অনাবৃত থাকে আর মাত্র ১০% আবৃত থাকে I

কিন্তু পুরুষেরা অত্যন্ত শালীন I
তারা বিকিনি পড়া মেয়েদের সেই আবৃত ১০%- দিকেই চেয়ে থাকে, উন্মুক্ত ৯০%- দিকে তাকিয়েও দেখে না I

 

এক বার সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলি  একটি স্টেসনারি দোকানে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ডায়মন্ড বল পেন আছে?’
সেলসম্যান মুখের উপর বলে দিল, “নেই
চলে যাচ্ছেন নিজেই ফিরলেন জিজ্ঞেস করলেন, ‘অন্য কী বল পেন আছে?’
সেলসম্যান বলল, “অনেক আছে পাওয়ার, সুলেখা, ব্রাইট ............
সৈয়দ মুজতবা আলি তাঁদের বুঝালেন, সেলসম্যানসিপ কী যখন তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘ডায়মন্ড বল পেন আছে কি, তাদের বলা উচিত ছিল ডায়মন্ড নেই তবে পাওয়ার, সুলেখা, ব্রাইট ...........ইত্যাদি আছে
ক্রেতাকে বিকল্প না দেখিয়ে বিদায় করাটা ঠিক না সেলসম্যানরা লজ্জিত হল কিন্তু শিখল
কিছুক্ষন পর সাহিত্যিক অন্নদাশঙ্কর রায় এসেছেন জিজ্ঞেস করলেন, “টয়লেট পেপার আছে ?”
সৈয়দ মুজতবা আলির দীক্ষিত সেলসম্যান উত্তর দিল, “টয়লেট পেপার একটু আগে শেষ হয়েছে তবে শিরীষ কাগজ আছে দেব ?”

 

পাড়ার ক্লাবে রক্তদান💉 শিবির

পাড়ার বিশুদা প্রতিদিন এসে খবর নিচ্ছে- দিনটা কবে? ওই তো 17 সেপ্টেম্বর প্রতিদিন এসে একই কথা- "আমার 🙏🏻 নামটা লিখে নাও "

অবশেষে এলো- রক্তদান শিবিরের দিন বিশুদা আসলো- ফর্ম ফিলাপ করে ঢুকে গেলো- ক্যাম্পে কিছুক্ষণ পরে বিরাট চিৎকার চেঁচামেচি "কি হলো- কি হলো??"

বিশুদা: "ধান্ধাবাজী পেয়েছে????😡"

ঘনাদা (পাড়ার কেউকেটা): "সমস্যা টা কি ভাই 🤓?"

বিশুদা: "নাম রক্তদান, উল্টে রক্ত নিচ্ছে!! আমাকে বলে শুয়ে পড়ুন দেখলাম ছুঁচ আর নল দিয়ে আমার রক্ত নিচ্ছে!!!"

ঘনাদা: "তুমি তো রক্ত দিতেই এসেছ!!"

বিশুদা: "তাজ্জব কথা বলছো তো! বস্ত্র দানে গেলে কি- আমাদের প্যান্ট খুলে নেয়?  উল্টে বস্ত্র দেয়! বন্যাত্রাণে কি বাড়ী থেকে রান্না করে নিয়ে যেতে হয়? খাদ্য দেয় আর তোমরা রক্তদানের নাম করে- রক্ত টেনে নিচ্ছো!! ধান্দা, সব ধান্দা তোমরা রক্তদান শিবির করছো, আমাকে 2 বোতল রক্ত দিতেই হবে!!

ঘনাদা দে দৌড়

 

এখন চা ওয়ালারা ব্যাপক স্মার্ট হয়ে গেছে বা হওয়ার চেষ্টা করছে, যেটা খুবই স্বাভাবিক
কিছুদিন আগে দোকানে চা খেতে গেছি - তো চা দিতে বলায় লোকটা কাঁধ ঝাঁকিয়ে বললো - কি চা খাবেন *'কচি'* না *'বিচি* ' ?
আমি তো বিলকুল ঘাবড়ে গিয়ে বললাম এটা আবার কি ধরনের চা, দাদা ? তখন চা ওয়ালার আরও অবাক করা উত্তর - এখন শর্ট ফর্মের যুগ দাদা...  নমো , রাগা , বিরুষ্কার মতোই  *'কচি'* মানে *_কম চিনি_* ,  আর *'বিচি'* মানে *_বিনা চিনি_*
বলুন কি খাবেন ?
কি আর করবো!! বললাম, এক কাপ *'বিচি'* দিন ৷৷ 

 

প্রতিদিন বাসে উঠে দেখি প্রতিবন্ধী সীটে কেউ না কেউ বসে আছে...

সেদিন দেখি, প্রতীবন্দী সীটে একটা বস্তা বসানো আছে...

সকলেই ভাবছে কেউ হয়তো সীট রেখে দিয়েছে...সকলেই দাঁড়িয়ে আছে..

- টা স্টপেজ যাওয়ার পর বাসটা খুব ভীড় হয়ে গেছে, সবাই খুব চেঁচাচ্ছে কার বস্তা হঠান সীট থেকে...

একজন পাশে দঁড়িয়ে থাকা লোক বলে উঠল আমার..
একজন বলল আপনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে বস্তাটা সীটে রেখেছেন কেন ?...

লোকটা বলল সীটটা প্রতিবন্ধীর
জন্য আর বস্তায় আমার আম আছে...


আমগুলো ল্যাঙড়া.......

 

আমি যদি Govt Approved মদের দোকান থেকে এক বোতোল মদ কিনি, আর আমার স্ত্রী যদি মদ্য পানে বাধা দেয় তাহলে কি আমি কোর্টে কেস করতে পারি - আমাকে সরকারী কাজে বাধা দেওয়ার জন্য?

 

বউ রসগোল্লা খাচ্ছিল.....বর ঢোঁক গিলে কাঁচুমাচু মুখে বলল, আমাকেও একটু টেস্ট করতে দাও...."

বউ হাঁড়ি থেকে একটা রসগোল্লা বরের হাতে তুলে দিল

বর (অবাক হয়ে) : মাত্র একটা!

বউ পাঁচ নম্বর রসগোল্লাটা মুখে পুরে ঠোঁটের পাশ দিয়ে গড়ানো রসটা নিপুণ হাতে ্যানেজ করতে করতে বলল,

"
বাকি রসগোল্লাগুলোর টেস্টও একই রকম"

 

জাপানের অসাধারণ খেলা দেখে, পাশের বাড়ির বৌদি মুগ্ধ হয়ে বললেন-

"
খেলতে জানলে সাইজ কোন ব্যাপার না
কতো ছোট অথচ কি সুন্দর করে খেলে ওরা..!

 

 

সেদিন পচাদা

গঙ্গায় লঞ্চে করে যাচ্ছে
পাশেএক চীনা লোক এক অস্ট্রেলিয়ান বসে

হটাৎ চীনা লোকটি একটি i-phone জলে ফেলে দিল এই দেখে পচাদা বলল - " দাদা এত দামি ফোনটা জলে ফেলে দিলেন..?"

চীনা : ধুর, এটা কোনো ব্যাপার হলো, এগুলো আমাদের দেশে  অনেক আছে

একটু পরে অস্ট্রেলিয়ান লোকটি কয়েকটি টাকার বান্ডেল জলে ফেলল এই দেখে পচাদাবলল..."দাদা এত গুলো টাকা জলে ফেলে দিলেন..?"

অস্ট্রেলিয়ান : এটা কোন ব্যাপার হোলো, এগুলো আমার দেশে বহুত আছে

সব শেষে পচাদা পাশে দাড়িয়ে থাকা একটি বাচ্চাকে টেনে জলে ফেলে দিলেন

এই দেখে লোক দুটি বলল..."দাদা একি করলেন বাচ্চাটাকে জলে ফেলে দিলেন ..?"

পচাদা : ধুর, এটা কোনো ব্যাপার হলো, এগুলোতো আমাদের দেশে অনেক আছে

এর পর লঞ্চ থেকে নেমে পচাদা নদীর পার দিয়ে হাটছেএমন সময় জল থেকে বাচ্চাটি উঠে এসে বলল,
-
-
-
-
বাবা, টাকা ফোন দুটোই পেয়েছি

 

 

*বৌ না শাশুড়ি !!*

একজন বিবাহিত ব্যাক্তিকে জিজ্ঞাসা করা হল•••••

*
আচ্ছা বলুন, আপনার স্ত্রী আর শাশুরী সেল্ফি তুলতে গিয়ে যদি বাঘের খাঁচায় পড়ে যান তবে আপনি কাকে বাঁচাবেন ?*

ভদ্রলোক খানিক্ষন হতভম্ব হয়ে প্রশ্নকর্তার দিকে তাকিয়ে থাকলেন••√•••
তারপর হো হো করে হাসতে লাগলেন, বেশ কিছুক্ষন হাঁসার পর বললেন•••••

*
এত সুন্দর আইডিয়া টা পাইলেন কই মশায়•••••!!*

প্রশ্নকর্তা: *আপনি এটা বলুন যে, কাকে বাঁচাবেন ?*

ভদ্রলোক বললেন-- *অবশ্যই বাঘেরে বাঁচাইমু, আমাগো দ্যাশে নাকি বাঘের সইংখ্যা অত্যন্তই নগৈন্য !!*
😛😛😛😛

 

 

*নেমন্তন্ন বাড়িতে একটা বাচ্চার পাশে খেতে বসেছি*

*
সার্ভ করার দিদি এসে বাচ্চা টিকে বলল*

*
তোমাকে একটু ভাতু দেবো?*

*
একটু ডালু দেবো?*

*
একটু আলুভাজু দেবো?*


*
একটু মাছু দেবো?*

*
আমি শালা ভাবছি এখন নুন চাইবো কী করে ??

 

 

 

*বিবাহ কি ?*
বিবাহ এমন একটা বন্ধন যেখানে দুইজন ্যকতি একসাথে মিলে জীবনভর সেইসব সমস্যার করার চেষ্টা করতে থাকে যেগুলি আগে কখনো ছিলই না

বিবাহ এমন একটা খুব সুন্দর জঙ্গল যেখানে এক বাহাদুর সিংহকে একটা হরিণ অনায়াসেই শিকার করে

*
বিবাহ মানে* -
"
এই যে শুনছো" থেকে
"
কালা হয়ে গেছ নাকি" পর্যন্ত একটা সফর

*
বিবাহ মানে*:-
"
তোমার মত কেউ হয় না" থেকে "তোমার মত অনেক দেখেছি" পর্যন্ত একটা সফর

*
বিবাহ মানে*:-
"
তুমি রেখে দাও" থেকে
"
দয়া করে তুমি রাখ তো" পর্যন্ত একটা সফর

*
বিবাহ মানে*:-
"
কোথায় গিয়েছিল সোনা" থেকে "কোথায় মরতে গিয়েছিলে?" পর্যন্ত একটা সফর

*
বিবাহ মানে*:-
অনে ভাগ্য ভাল যে তোমাকে পেয়েছি" থেকে "আমার ভাগ্যটাই খারাপ যে তোমার মত লোক পেয়েছি" পর্যন্ত একটা সফর

*
বিবাহিত জীবন অনেকটাই কাশ্মীরের মতন*
খুবই সুন্দর তো বটেই তবে
অনেক আতঙ্ক আছে

 

 

এক মাতাল রাতে বাড়ি ফেরার পর তার বৌ এর সাথে ঝগড়া হচ্ছে

মাতাল:  তুই মুটকি, কেলটি, দাঁত ্যালানে, মেছো পেত্নীর মত দেখতে

বৌ: তুই মাতাল, নেশাখোর, ্যাওড়া, বেওড়া, মদ খেয়ে পড়ে থাকিস

এটা শুনে মাতাল জোরে  জোরে হাসতে  হাসতে বললো:  আমি তো সকালে ঠিক হয়ে যাবো, কিন্তু তুই ?

 

 

 

দুই বন্ধু ক্লাস এইট- পরপর তিনবার ফেল করল!

প্রথম বন্ধু : চল আত্মহত্যা করি!

দ্বিতীয় বন্ধু : পাগল নাকি, পরের বার আবার নার্সারি থেকে শুরু করতে হবে!

 

 

একটি লোক বারে বসে একটি হানিক্যান বিয়ার অর্ডার দিতেই পাশে বসা এক সুন্দরী মহিলাও হ্যানিক্যান অর্ডার দিয়ে বললোঃ  কি অদ্ভুৎ মিল আপনার আমার প্রিয় হানিক্যান  বিয়ার বাই দ্য ওয়ে, আমি রত্না, আপনি?
ভদ্রলোকঃ আমি রতন
মহিলাঃ দেখুন আপনার আর আমার নামের প্রথম অক্ষর এক, নামের অর্থও এক আপনি কি নিয়মিত আসেন?
ভদ্রলোকঃ না, আমি সেলিব্রেট করতে এসেছি
মহিলাঃ এখানেও আপনার সাথে অদ্ভুৎ মিল, আমিও সেলিব্রেট করতে এসেছি জানতে পারি কিসের?
ভদ্রলোকঃ আমার পোল্ট্রি ফার্মের মুরগীগুলো প্রায় চার বছর যাবৎ ডিম দিচ্ছে না আজ সকালে ডিম দিয়েছে সেই আনন্দ উদযাপনের জন্য আসা
মহিলাঃ এখানে আমার সাথে আপনার অদ্ভুৎ মিল আমার চার বছর বিবাহিত জীবন সন্তান হচ্ছিলো না আজই প্রেগনেন্সি পজিটিভ হলো কিভাবে মুরগী ডিম দিলো?
ভদ্রলোকঃ আমি মোরগ চেঞ্জ করেছিলামআপনি?
মহিলা মৃদু হেঁসে বললোঃ কি অদ্ভুৎ মিল...!

 

 

একবার একজন লোক পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল হঠাত্ আওয়াজ হলো - দাঁড়াও...

 

লোকটা দাঁড়িয়ে গেল, আর তখনই লোকটার সামনে একটা বড় পাথরের চাঁই পড়লো। লোকটা বেঁচে গেল আর  আওয়াজ দাতাকে ধন্যবাদ দিয়ে চলে গেল😥

 

কিছু দিন পরে ওই লোকটা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল, তখন আবার আওয়াজ এলো- রাস্তা থেকে সরে  দাঁড়াও ....

 

লোকটা সরে দাঁড়িয়ে গেল আর একটা বড় লরি গা ঘেঁষে দ্রুত গতিতে চলে গেল আবার লোকটা বেঁচে গেল😰

 

লোকটা আবার আওয়াজ দাতাকে ধন্যবাদ দিয়ে জিজ্ঞাসা করল - "কে ভাই আপনি? বারবার আমার জীবন বাঁচাচ্ছেন?"

 

আওয়াজ দাতা বলল- আমি দেবদূত

 

লোকটা তখন কেঁদে কেঁদে জিজ্ঞাসা করল- "প্রভু, আমার বিয়ের সময় আপনি কোথায় ছিলেন???"😢

 

উত্তর এলো - আওয়াজ তো তখনও দিয়ে ছিলাম। ডি জে বাজছিলো আর তুই খুব নাচ ছিলিস। তুই শুনতেই পাসনি .....

😂

যদি কোন মহিলা আপনার কথা মিনিটে মেনে নেয়তাহলে সেই মহিলা আপনার মা-

যদি কোন মহিলা আপনার কথা ১৫ মিনিটে মেনে নেয়তাহলে সেই মহিলা আপনার বোন-

যদি কোন মহিলা আপনার কথা ৩০ মিনিটে মেনে নেয়তাহলে সেই মহিলা আপনার মেয়ে-

আর যদি কোন মহিলা আপনি বার বারহাজার বারকোটি বার বলা সত্ত্বেও আপনার কথা না শোনেতাহলে সেই মহিলা





এক দরিদ্র অথচ ধর্মপ্রাণ ভিক্ষুক রোজগারের আশায় মসজিদের সামনে গিয়ে এক সপ্তাহ বসে রইলো সপ্তাহান্তে তার রোজগার হল ৮০ টাকা মাত্র

এই সামান্য রোজগারে হতাশ হয়ে সে গিয়ে বসলো এবার এক মন্দিরের সামনে সেখানে সপ্তাহান্তে রোজগার হল সাকুল্যে ৯০ টাকা

অধিক রোজগারের আশায় সে গীর্জার সামনে গিয়ে বসলো সপ্তাহ শেষে রোজগার গিয়ে দাঁড়াল সর্বমোট ১০০ টাকা

দুঃখ-ভারাক্রান্ত, হতাশ ভিক্ষুকটি এবার ভগ্ন মনোরথ হয়ে সন্ধ্যেবেলায় একটা বারের সামনে গিয়ে বসলো!

সে এক আশ্চর্য কাণ্ড! প্রথম লোকটাই বার থেকে বের হয়ে তার হাতে দিলো ২০ টাকা তারপর একে একে মাতালরা বার থেকে বের হয়, আর ১০/২০/৫০ টাকা করে দেয় মাত্র দু' ঘণ্টায় সেখানে তার রোজগার হল ৫০০ টাকা!

উল্লসিত ভিখারীর স্বগতোক্তিঃ *হে সৃষ্টিকর্তা, তুমি কোথায় থাকো আর ঠিকানা কোথাকার দাও!!!* 








'কালা'......



 সব সময়ে বউকে দোষ দেওয়া ঠিক নয়.....